বেনোজলে ভেসে যায় ফসলের যৌবন।
ভেসে যায় জারুলে ফুল।
আমিও ভাসি
ইশ্বর ভাসতে শেখায়
তাই নজমুল আলবাব
ভেসে যায় সনাতনী
জল ও কাদায়
বেনোজলে ভেসে যায় ফসলের যৌবন।
ভেসে যায় জারুলে ফুল।
আমিও ভাসি
ইশ্বর ভাসতে শেখায়
তাই নজমুল আলবাব
ভেসে যায় সনাতনী
জল ও কাদায়
দরজা লাগাইলেই বউ বদলায়া যায়। ক্ষমতায় গেলে...
তুমি মিয়া সকালে ঘুমের ঘোরে বউ গালে হাত দিছে বইলা একেবারে গইলা গেলা! পিরিতি উথলায়া উঠলো। খবরদার বউয়ের গালে গাল ঘসতে যাইওনা। খসখসা দাড়ি লাইগা তার ঘুম ভাঙলে খবর আছে, হুঁ।
দরজা লাগাইলে বউ বদলায় এই কথা শুনে গদগদ হওয়ার জামানা শেষ। শব্দটায় যৌনতার ঘ্রাণ থাকলেও এখন আর সেইসব পাওয়া যায়না। দরজার ওইপাশে আম্মা আম্মা ডাইকা গলায় রক্ত তুইলা বউ দরজা লাগায়, তারপর সে আর আম্মা থাকেনা। তোমার আম্মা দিয়া শুরু হয় ঠেকে... পোয়াতিসময়ে যে আম্মা পেটে তেল মালিশ করে দিল সেই আম্মায় রান্ধনের কালে তেল কেন মাইপা দেয় এইটাই হইল বিষয়, সোয়াবিনের লিটার একশ হোক কীবা দেড়শ বউয়ের তাতে কি? আর মায়েরইবা কি?
এক লোক কোন দুরদেশে যাইতেছে। (এইটা কিন্তু আগের জামানার কিচ্ছা। নানাজানের কাছ থাইকা শোনা)। পায়ে সুন্দর জুতা, কাঁধে চাদর। রাস্তায় কাদা। পার হওনেরর কোন উপায় নাই। বেশ কিছুক্ষন লোকটা দাঁড়াইলো। তারপর চাদরটা বিছায়া কাদার উপর দিয়া হাইটা গেল। অন্য আরেকজন ঘটনা দেইখা অবাক হয়। প্রশ্ন করে, ভাই এইটা কী করলেন? জবাব আসে, আরে ভাই কাদা থেকে জুতাটা বাঁচাইতে হবেনা। দুইশ টাকা দিয়া কিনছি। সেই লোক বেকুব হয়ে আবার প্রশ্ন করে, চাদর? আরে ওইটাতো বাবায় কিনছে...
আব্বায় তার শশুরের কাছ থাইকা এই গল্প শিইখা রাখছে। সময়মত বলবে। লগে ফুটনোট যোগ হয়, এইটাতো বাপের টাকা, যা ইচ্ছা কর, নিজের টাকা হইলে দেখা যেত। একেকজনতো মিনিস্টার হইয়া গেছ। পাব্লিকের টেকা যেমন ইচ্ছা উড়ায়া দেওন। আমার ঘরে এইসব চলবে না... আহা, আব্বার হাই প্রেশার। কেনযে এইভাবে চেচামেচি করে! ঠিক আছে, আইজ থাইকা আমি ফখরুদ্দি তত্বাবধায়ক। আর বাড়ন্তি টাকা খরচা করুমনা। আইজ থাইকা বেগুন খাওয়া বন্ধ। আলু কেনাও বন্ধ।
তাইলে খামু কি? হাওয়া? সাইফুর রহমানরে ধরতে হবে। এই লোক খাবার অভ্যাস বদলানোর অনেক লেকচার দিছে। টেকা নিয়াও তার বিতঙ ছিল নানান কিসিমের, যদিও নিজেই টেক্স দিতনা। হা... হা... হা...
খাদ্য উপদেষ্টা শওকত আলীর কাছে যাওয়ার চান্স পাইলে সেইটাও করা যাইত। এই লোক সাইফুর রহমানের থাইকা কয়েককাঠি সরেস। সে বলছে খানা খাদ্য কমায়া খাইতে। বোরো ধান উঠলে নাকি পোষায়া দেয়া যাবে পেটরে, তার আগে পেট বাবাজি ঘন্টা বাজাও। এইবার আর হাসি আসতেছেনা... এরচেতো আল্লার মালই ভাল আছিল।
তুমিতো শালা বাপ হয়া গেছ! মাইয়ার লগে খাতির আছে তোমার? রোজ কামলা শেষে বাড়িত আসার সময় তার লাইগা লেবঞ্চুস আনতে হয় সেইটা জান? জাননা। কেমনে জানবা, তোমার বাপতো কোনদিন আনেনাই। পকেট ঠন ঠন লইয়া অবশ্য তোমারও কিছু করার নাই। সাম্প্রতিক ওয়াশিং অপারেশনে তুমি যে কেমনে সান্দায়া গেলা..., দুঃখ হয়। কিন্তু কিছু করার নাই। পাওটা কি ভাল হইছে? টাইন্না টাইন্নাই হাটো। দেশ তোমার পায়ের উপর দিয়াই পবিত্র হইছে, এই কথা মনে কইরা বীরপুরুষদের ক্ষমা কইরা দেও। ওহহো নেপথালিন নিতে ভুইলনা আবার, বউয়ের মাথায় উকুন হইছে, নারকেল তেলের লগে মিশায়া মাথায় দেবে। নারকেল তেলের দাম জান? জানার দরকার নাই। সেইটা বউ নিজেই জোগাড় করবে।
এমন কিছু করিনি এখনও যে সফলেরা আমাকে একিন করবে।
ব্যর্থ মানুষের তকমা এটে গেলে একবার পিঠে আলবাবের আর
কিইবা করার থাকে? গান যত গাওয়া হয়েছে এতদিন সব দেখি
বেমালুম ভুলে বসে আছি! এইসব মনে রাখতেও সফল মানুষ
হতে হয় বুঝি? ধুর, আর এইভাবে বিরহের গীত গাইতে ভাল
লাগেনা। আম্মা যে কেন কিছুই বুঝেনা...
মাঝে মাঝে আলোর বিন্দু নিয়ে সরু কিছু টানেল থাকে, বিপদগ্রস্থ
মানুষেরা সায়রে ভেসে থাকার চেস্টায় খড়কুটো যেমন আকড়ে
ধরে তেমনি এই কালে উপদেষ্টারা সেই আলোর পেছনে ছুটেন
আর মাইক্রোফোনের সামনে এসে বলেন, আলো দেখতে পাচ্ছি,
এইবার হবে বন্ধুগন...
আলবাবের একটা খড়কুটো নাই, সরু কোন টানেলও নাই, নাই
কোন ভরসার আলোকবিন্দু... এইবার তবে বনবাস...