Posts

ব্যবধানে বাড়ায় শঙ্কা: বিচারের কথা কি বলা হবে এইবার?

ভুমিকা ছাড়াই শুরু করি। এতটা ব্যবধান কি আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম? মনে হয় না। কিন্তু সেটাই ঘটেছে। ২৬২'র বিপরীতে ৩০। হারাধন মোজাফ্ফরের এক ছেলে ছিলো ৭২ এ। এবার অবশ্য তারচে ভালো অবস্থা বিরোধী শিবিরের। এই ব্যবধানই বাড়ায় শঙ্কা। আমরা কেমন আগামী পাবো? সংখ্যার এই আধিক্য কি আমাদের অন্য আরেক ভূবনে ঠেলে দিতে পারে? ইতিহাস কি বলে? এইসব গরিষ্ঠতার ফল কি? চিন্তার ক্ষেত্র যাদের প্রসারিত, যারা পাঠ নিয়েছেন ইতিহাসের, তারা কি বলেন? খুব জানতে ইচ্ছা করছে। জেনে নেয়াটা প্রয়োজন বোধ করি। ইতিহাসের পাঠ থেকে আমি এই জেনেছি, হিটলার নির্বাচিত হয়েছিল... মাথার ভেতরে শুধু ঋনাত্মক পাঠ। বার বার মেঘ এসে ভর করে মনের আকাশে। পরিবর্তনের গতিধারা কেমন হবে? যারা আসছে তারা আমাদের দায়িত্ব নেবেন, না ক্ষমতায় বসবেন? নিরব বিপ্লবের গোপনে যে দাবী, যে দাবী প্রবল নিয়েছে রূপ ৩৭ বছর পরে, তার কি হবে? বিচারের কথা কি পুনর্বার ভুলে যাবে প্রিয় বাংলাদেশ? এইসব প্রশ্নের কোনো উত্তর মিলেনা। ভেতরে নানান উপমা আসে, ভয়ের, শঙ্কার। আমরা কি আশ্বস্থ হবো প্রিয় মাতৃভূমি? .......................... এই পোস্টটা করা হয় সচলায়ন এ। সেখানে অনেকেই মূল্...

বেঁচে আছি, দেখে যাও

প্রত্যাবর্তনের পথে নাকি কিছু কষ্টলি অতীত থাকে। বলেছিলেন প্রিয় কবি হেলাল হাফিজ। সেই প্যত্যাবর্তনের পথে আরেক প্রিয় কবির কণ্ঠস্বর ধার করে আজ আমি বলি, শুনে রাখো সবে, আলবাব মরে নাই। তবে কি তাহার মৃত্যু হয়েছিল? সেইসব সময়ে আমি মৃত্যুকে ধারন করে ছিলাম। অথবা বেঁচে থাকার প্রাণান্তকর চেস্টা। নিতান্তই অবহেলায় বছরেরও অধীককাল আগে যারা যারা আমারে ছুড়ে ফেলে দিলে, তারা একবার দেখে যাও এসে আলবাব কি অসাধারণ ভাবে বেঁচে উঠেছে আবার। ভয়ংকরভাবে পতিত আমাকে মনে রাখে নাই কেউ। কালো, হলুদ তালিকায় উঠেছিল নাম। কিভাবে বেঁচে ছিলাম, বাঁচলাম, কেউ খোঁজ নেয় নাই। আহমেদ নূর একবারও প্রশ্ন করেন নাই, কিভাবে টিকে থাকলে? বরং মানুষের মাঝে প্রচারিত হয়েছে অশ্লিল সমালোচনা। পোষাকী কুকুরের তাড়া খেয়ে বেঁচে থাকার জন্য প্রিয় বন্ধুর কাছ থেকে পরামর্শের বদলে ভৎসর্না শোনার ঠিকানা পেয়েছি! সব অপমানের পরে বছরের এই শেষ সময়ে এসে দেখি আমি বেঁচে আছি, মাথা উঁচু করেই বেঁচে আছি। কে আছো কোথায়, দেখে যাও এসে নজমূল আলবাব মরে নাই। আর এই পাঠ আমার কাছ থেকে পূনর্বার শিখে নাও হে বন্ধুসকল প্রত্যাবর্তনের পথে কিছু কস্টলি অতীত থেকে যায়।

এই লেখাটার শিরোনাম নাই। দিতে পারি নাই

বছর দশেক হতে চল্ল... নাহ যুগ পেরিয়ে গেছে। তখন ঢাকা নামের নগরটা আরো অনেক দুরের ছিল। ট্রেনে চড়লে সিলেট পৌছাতে সময় লাগতো সাত/আট ঘন্টা। আর বাসে চড়ার জন্য যথেষ্ঠ সময় হাতে রাখতে হতো। রাতের বেলায় সাহস। নভেম্বরের ২৩ তারিখের ভোর। রাতের বাসে সেই পথ পাড়ি দিয়ে, একটা উলুম্বা পাঠা হৈ হৈ করতে করতে আমার রুমে ঢুকে একেবারে লেপের তলায় সেদিয়ে গেল। লাত্থিগুতা মেরে তাকে নামানো গেলোনা। সে তারস্বরে চেচায়... চিৎকারের ঠেলায় মা নেমে এসে চিল্লা ফাল্লা করে থামালেন। সাফ সাফ বলে দিলাম রোদের যথেষ্ট তেজ না হলে আমাকে যেন সে না ডাকে। কে শোনে কার কথা, পাঠার কাইকুই এর মাঝে কি আর ঘুমানো যায়? অনভ্যাসের সময়ে উঠে দেখা গেল ভ্যামতালাবদমাশটা বিশাল একটা ব্যাগ বয়ে এনেছে, আর তাতে ঠেসে এনেছে মানিক রচনা সমগ্র!!! তিন দশকের অধীককাল বেঁচে থেকে এর চেয়ে মূল্যবান উপহার আর পাইনি। আমার বই এর তাকে রোজ রোজ শোভা ছড়ায় প্রিয় উলুম্বা পাঠা গৌরীশের সেই ঠান্ডা অথচ আবেগী ওমে ভরা ভোরটা... নভেম্বর তেইশের মতো আরো অনেক তারিখ ছিল আমাদের। সারাদিন আমরা বন্ধুরা মিলে শহর সিলেটকে উল্টে পাল্টে গিলে খেতাম সে সময়ে। তারপরে আমাদের নিস্তরঙ্গ জীবনের শুরু হয়েছিল। সকলের...