আমাদের একা বাড়ি
বাড়িটা হঠাৎ করেই ফাঁকা হয়ে গেলো। বাচ্চাদের পরীক্ষা শেষ। গরমের ছুটি। বউগুলো ছানাপোনা নিয়ে তাই বাপের বাড়ি চলে গেলো। দাদাভাইও বাড়ি নেই। রাত ১০ টার পর ভাত খাবো কীনা জিজ্ঞেস করলেন আম্মা। বল্লাম একটু পরে খাবো। আম্মা ঠিকাছে বলে সাথে এও বল্লেন, ‘আজকে আমরা মা-পুত। একলগে খাই চলো!’ তখনই মনে পড়লো, এই শুনশান বাড়িটাতে, একা বাড়িটাতে আর কেউ নেই, আমি আর আম্মা শুধু! একটা অন্যরকম অনুভূতি। অনেক বছর পর, এরকম একা বাড়ি... টেবিলের দু’পাশে বসে আছি আমি আর আম্মা। টুকটাক কথা বলছি। বেশিরভাগই খাবার নিয়ে। কোনটা নিচ্ছি, কোনটা নিচ্ছি না, সেটা দেখছেন আম্মা। বছর দেড়েক আগে আমি আর আম্মা মাসখানেক প্রবাসে ছিলাম। একসাথে বসে বসে মা ছেলে খেতাম। আমি কখনো দেশের বাইরে যাইনি। আম্মা আমাকে আগলে রাখার চেস্টা করতেন! তখন কিছুটা মনে হয় অস্বাভাবিকও ছিলাম আমি। মাথাটা ফাঁকা ছিলো... আজকে আবার বছর দেড় পর, আবার আমরা মা-ছেলে। দাদাভাইর খবর বলেন আম্মা, খুব বিখ্যাত কোন এক পাহাড়ের না উপত্যকার মাঝ দিয়ে বেড়াচ্ছে, নির্বাচন নিয়ে কথা বলি আমরা, বউরা একসাথে বাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেলো, সেটা নিয়ে আলাপ করি, গ্রামে রাতের পাহারা ক...