অবাক হওয়া রাত এবং অক্ষমতার গল্প
অবাক করা সব কাণ্ড ঘটতে থাকে। অন্তত আমি অবাক হই। রাত দুইটা খুব বেশি রাত নয় আমার জন্যে। গত দশ বছর ধরে এই সময়টার ধারে কাছে বাড়ি ফিরি। আজও ফিরেছিলাম। দরজা খুলে দিলো বউ। প্রথম অবাক করা ঘটনা হলো এটা। আমাকে কেউ দরজা খুলে দেয় না। একটা চাবি আছে আমার। সেটা দিয়ে সদর দরজা খুলি। আর ভেতর বাড়িতে তালা টালা দেয়ার নিয়ম নেই আমাদের। আজ সেই নিয়মের ব্যত্যয় হলো। আমাদের কোনো কথা হলো না, সাধারণত হয়ও না। আমি বউকে পাশ কাটিয়ে শোবার ঘরে চলে এলাম। বিছানায় আমার পাঁচ বছর বয়েসি মেয়েটা ঘুমিয়ে আছে। আমার কাঁধে একটা ব্যাগ থাকে সবসময়। এখন এই ব্যাগের কোনো দরকার নেই। তবু থাকে। অভ্যাসের মতো হয়ে গেছে। মান্নাদা একবার বলেছিলো, এই ব্যাগ ছাড়া নাকি আমি অসম্পূর্ণ। আমারো তাই মনে হয়। দরজার ফাঁকে একটা তাক আছে। সেখানে ব্যাগ রেখে লুঙ্গিটা খুঁজি, সেটা নেই। লুঙ্গি খুঁজবো বলে ঘুরে দাড়িয়ে আমাকে দ্বিতীয় দফায় অবাক হতে হয়। বউ লুঙ্গি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। সাধারণত আমি অবাক হই না। আমার সে ক্ষমতা লোপ পেয়েছে অনেক আগে। তবু আজ বার বার অবাক হতে হয় আমাকে। গরম পড়েছে খুব। শরীর চ্যাটচ্যাটে হয়ে থাকে সবসময়। গোসল করতে হয় বাইরে থেক...