হিঙ্কলি রোড কর্নার
মোড়ের পাশের ফুলের দোকানটা বন্ধ হয়ে গেল। ফুলের দোকান, তারপর একটা চিকেন এন্ড চিপসের দোকান, এরপর নাপিতের দোকান তারপর টনি পাপটের অফ লাইসেন্স। এর ঠিক লাগোয়া বাসস্টপ। বাসস্টপে সারাদিন হুইল চেয়ার নিয়ে বসে থাকে ডেভিড। সামনে দিয়ে যে-ই যাক, নিচু গলায় ভাংতি পয়সা চায়। কেউ দেয়, কেউ দেয় না। সে বসেই থাকে। পাশ দিয়ে কোনো বাচ্চা যদি বাবার সাথে যায় তখন শুধু একটু উঁচু গলায় বলে, বাবাকে আঁকড়ে ধরো, জাপটে ধরো, দুনিয়ায় এই একটাই বাবা তোমার! রোজ যারা হাঁটে এই পথে তারা ছাড়া, নতুন বাচ্চারা একটু ভয় পায় আর বাবার হাতটা শক্ত করে ধরে। যারা জেনে গেছে ডেভিডকে, তারা আগে থেকেই ধরে থাকে হাত আর একটু সাহসী যারা তারা হাতটা একটু উঁচু করে ডেভিডকে দেখিয়ে দেয়। ডেভিড কখনো বাচ্চাদের কাছে পয়সা চায় না। বাচ্চা থাকে যেসব বাবা মায়ের সাথে তাদের কাছে পয়সা চায় না। রাত আটটায় টনি তার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় সস্তা বিয়ারের একটা ক্যান ধরিয়ে দেয় ডেভিডের হাতে। তারপর নির্জন হতে থাকা বাসস্টপে ডেভিড বসে থাকে। টনি অফলাইসেন্সের নিয়ন সাইনটা একবার জ্বলে আর একবার নিভে, বাড়ি ফিরে যাবার আগ পর্যন্ত ডেভিডের মুখে খেলা করে সেই আলো। ফুলের দোকানের ...